হাথরসের ঘটনায় এবার চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে উঠে এলো
দি নিউজ লায়ন ; উত্তরপ্রদেশের হাথরসের ঘটনায় এবার চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে উঠে এলো। উত্তর প্রদেশ পুলিশের দাবি, নির্যাতিতার পরিবার এবং মূল অভিযুক্ত সন্দীপের সঙ্গে ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ ছিল। গত বছরের অক্টোবর থেকে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে সন্দীপের মোট ১০৪ বার ফোনে কথা হয় বলে জানা গিয়েছে। উত্তরপ্রদেশ পুলিশ যখন অভিযুক্ত এবং নির্যাতিতার পরিবারের কল রেকর্ড দেখা হচ্ছিল তখন দেখা যায় ২০১৯ সালের ১৩ অক্টোবর থেকে এই কথাবার্তা শুরু হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, বেশিরভাগ কল চাঁদপা এলাকা থেকেই করা হয়েছিল, এই এলাকা ওই ঘটনাস্থল থেকে মাত্র ২ কিমি দূরে পুলিশের তদন্তে দেখা গিয়েছে, আক্রান্তের পরিবারের পক্ষ থেকে ৬২ টি বার কল করা হয়েছিল ও অভিযুক্ত সনীপ ফোন করেছিল ৪২ বার। পুলিশের দাবি, নির্যাতিতার পরিবার ও অভিযুক্তের মধ্যে কথা হত। অভিযুক্ত সন্দীপের কাছে ফোন করা হত নির্যাতিতার ভাইয়ের মোবাইল থেকে।
এদিকে, বিশেষ তদন্তকারী দলের (এসআইটি) বুধবার মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের কাছে এর রিপোর্ট জমা দিতে পারে। উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে এই কেসের তদন্ত শুরু করেছিল এসআইটি। তাঁরা নির্যাতিতার বাড়ি যায় ও পরিবারের লোকেদের সঙ্গে কথা বলে ও ঘটনাস্থল পরিদর্শনও করে।
উল্লেখ্য হাথরসে ঘটে যাওয়া নারকীয় অত্যাচারের প্রতিবাদে ক্ষোভে ফুঁসছে দেশ। গণধর্ষণের পর নৃশংস অত্যাচারের শিকার হয় এক ২০ বছরের দলিত তরুণী। জানা গিয়েছে, গত ১৪ সেপ্টেম্বর দুপুরে মা এবং ভাইয়ের সঙ্গে মাঠে ঘাস কাটছিলেন ওই তরুণী। কিছুক্ষন পর হাতে ঘাসের বান্ডিল নিয়ে ভাই বাড়ি ফিরে এলেও তখনও মাঠে কাজ করছিলেন মা-মেয়ে। ঘাস কাটতে কাটতে মায়ের থেকে কিছুটা দূরে চলে যায় ওই তরুণী। কিছু সময় পর মাঠে মেয়েকে দেখতে না পেয়ে তাঁর খোঁজ শুরু করেন ওই তরুণীর মা এবং পরিবারের লোকেরা। এরপর কিছুটা দূরে দোপাট্টা জড়ানো অবস্থায় বাজরা খেতের মধ্যে মেয়ের ক্ষতবিক্ষত দেহ দেখতে পান পরিবারের লোকেরা

Post a Comment